Why Google Analytics/ কেন গুগল এনালাইটিক্স

Why Google Analytics

 (কেন গুগল এনালাইটিক্স)

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে (SEO) ওয়েবসাইটের অফ পেজ ডাটা রিসার্চ এর একটি হচ্ছে গুগল এনালাইটিক্স(Google Analytics)। এটা বিখ্যাত কোম্পানি গুগলের (Google) একটি টুলস। Google Analytics গুগলের একটি টুল যা একটি ওয়েবসাইট এর যাবতীয় সকল ডাটা সংগ্রহ করে এবং ডাটার অবস্থা দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক এবং বাৎসরিক আকারে রিপোর্ট প্রকাশ করে। Google Analytics  কোন Website -  এর পূর্বের এবং বর্তমান অবস্থার স্বচ্ছ রিপোর্ট তৈরি করতে সক্ষম।  ব্যক্তিমালিকানাধীন ওয়েবসাইট অথবা কোম্পানি ওয়েবসাইট সহ যে কোন ধরনের ওয়েবসাইট কে Google Analytics  এর অধীনে নিয়ে এসে  সুন্দর এবং সাবলীল রিপোর্ট তৈরি  করা সম্ভব।

 

Google Analytics ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আসা ভিজিটর দের নিয়ে এনালাইসিস করে থাকে। একজন ভিজিটর একটি ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে এসে - কি করে, কোন পেইজ ভিজিট করে, কতক্ষণ পেজে অবস্থান করে এবং পেজ কতক্ষণ পরে এবং কোথা থেকে পড়ছে ইত্যাদি। যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে পেজ অনার কে প্রতিবেদন দিয়ে থাকে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে  Page Owner গন ওয়েব সাইটের কনটেন্ট গুলো নিয়ে ভাবতে পারে এবং কিভাবে কনটেন্টগুলো আরো উন্নত এবং বর্ধন করা যায় সেই বিষয়ে সহজে পদক্ষেপ নিতে পারে।

 

 

গুগল এনালাইটিক্স (Google Analytics) এর কাজ কি?

 

গুগল এনালাইটিক্স মূলত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আসা ভিজিটরদের যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে সুন্দরভাবে রিসার্চ করে থাকে।  এস ই ও (SEO) তে সাহায্য করে থাকে ।  গুগল এনালাইটিক্স ভিজিটর এর মোট সংখ্যা, কোন অঞ্চল থেকে ভিজিটর আসছে এবং কোন ডিভাইস থেকে ভিজিটর ভিজিট করছে ইত্যাদি সহ আরো নানা বিধ তথ্য প্রদান করে থাকে। এছাড়া একজন ব্যবহারকারী কোন সোর্স থেকে এসেছে সে সম্পর্কেও বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান করে থাকে।

গুগল এনালাইটিক্স ওয়েবসাইটের থাকা প্রতিটি পেজ লোড এর সাথে ভিজিটর সম্পর্কিত ডাটা আপডেট করতে পারে যা পরবর্তীতে সেই ডাটা গুলি রিপোর্ট আকারে প্রদান করে। সেশন (Session) অন্যতম একটি এলিমেন্ট, সেশন শুরু হয় যখন কোন ইউজার সাইটটি ভিজিট করা শুরু করে। কোন ইউজার যদি ওয়েব সাইটে এসে ওয়েবসাইটে 30 মিনিটের অবস্থান করে এবং কোন ধরনের অ্যাক্টিভিটিজ না করে সে ক্ষেত্রে সেশনটি সেখানেই সমাপ্ত হবে। পরবর্তীতে ইউজার যদি সাইটে প্রবেশ করে সে ক্ষেত্রে নতুন একটিভেশন কাউন্ট করবে।

গুগল এনালাইটিক্স এর কিছু সুবিধা নিম্নে আলোচনা করা হল

 

১।  Real-time ভিজিটর সংখ্যা জানা যায়, অর্থাৎ এই মুহূর্তে ওয়েবসাইটে কত জন ভিজিটর ভিজিট করছে তার সংখ্যা গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে জানা সম্ভব।

 

২।  প্রতিটি ভিজিটরের আঞ্চলিক লোকেশন অথবা লোকেশন সম্পর্কে জানা যায়, অর্থাৎ সে কোন লোকেশন থেকে ওয়েব সাইটটি ভিজিট করছে তার তথ্য গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে খুব সহজে জানা যায়।

 

৩।  প্রতিটি ভিজিটর আলাদা আলাদাভাবে কোন পেইজে ভিজিট করছে বা কোন আর্টিকেলটি পরছে তার সম্পর্কে জানা যায়।

 

৪।  ভিজিটরগন কোন ডিভাইস দিয়ে ওয়েবসাইট ভিজিট করছে সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানা  সম্ভব গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে শুধু তাই নয় কোন ব্রাউজার দিয়ে ব্রাউজ করছে সে বিষয়টাও গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে জানা যায় । যেমন- কম্পিউটার, মোবাইল, ট্যাব, আইপ্যাড সে সম্পর্কে জানা যায়।  গুগল ক্রোম,  মজিলা  ফায়ারফক্স,  অপেরা,  ইউসি ব্রাউজার ইত্যাদি।

 

৫। ভিজিটরগন কোন মাধ্যমে ওয়েবসাইটে এসেছে?  সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এসেছে, নাকি সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে এসেছে বা গুগল সার্চ  থেকে ওয়েবসাইটে এসেছে  তা বিস্তারিত জানা যায়।

 

৬।  ওয়েবসাইট এর অধীনে নির্দিষ্ট কোন পেইজ কতবার ভিজিট করা হয়েছে তার সঠিক তথ্য জানা যাবে।

 

৭।  একটি ওয়েবসাইটের এসে  নির্দিষ্ট কোন পেজে কতক্ষণ থাকছে তার গড় হিসাব গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে  জানা যায়।

 

৮।  কখন ভিজিটর বেশি থাকে এবং কখন ভিজিটর কম থাকে গুগল এনালাইটিক্স সেই বিষয়ে রিপোর্ট তৈরি করতে পাড়ে।

 

৯।  ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট সম্পর্কে ইনফরমেশন প্রদান করতে পারে,  অর্থাৎ একজন ভিজিটর কত দ্রুত একটি ওয়েবসাইট ত্যাগ করে সেই ইনফরমেশনটা গুগল এনালাইটিক্স সহজে  রিপোর্টে রাখতে পারে।

 

১০।  গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্লগ অথবা পেজের গোল সেট করা যেতে পারে,  এতে করে ওই পেজের ভিজিটর এবং ভিজিট করার সাপেক্ষে, একটি এমাউন্ট ধার্য করা যেতে পারে। গুগল এনালাইটিক্স খুব সহজে এই রিপোর্টটি তৈরি করতে পারে।

 

 এছাড়াও আরও অনেক ধরনের রিপোর্ট গুগল এনালাইটিক্স প্রদান করে থাকে, রিটার্ন ভিজিটর, নিউ ভিজিটর,  মাসিক কম্পেরিজন রিপোর্ট এবং গুগলে  সার্চ কনসোল এর সাথে লিংকেজ তৈরি সহ আরো অনেক সুবিধা দিয়ে থাকে।

 

 

গুগোল  এনালাইটিকস (Google Analytics) কি কারনে ব্যবহার করব ?

 

অফ পেজ এর ক্ষেত্রে গুগল এনালাইটিক্স এর গুরুত্ব অপরিসীম। একটি  ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করার পর, তা গুগোল রেংকিং এ শীর্ষে নিয়ে যেতে চাইলে, গুগল এনালাইটিক্স এর বিকল্প কিছু নেই। এছাড়া একটি ওয়েবসাইটের কোন ব্লগ এবং কোন পেইজের আর্টিকেলটি গুগল সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে এক নম্বর অবস্থানে আনতে চাইলে গুগোল অ্যানালাইটিকসের মত একটি শক্তিশালী টুলস সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরী। ওয়েবসাইট এবং ওয়েব পেজ   এস ই ও-র ক্ষেত্রে  গুগল এনালাইটিক্স এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তাই জেনে নেয়া যাক গুগোল অ্যানালাইটিকসের কিছু প্রয়োজনীয়তা -

 

 

১।  ফ্রী টুলসঃ  গুগল এনালাইটিক্স সম্পূর্ণ  ফ্রী একটি টুলস।  কোন প্রকার অর্থ ব্যয় ছাডা গুগল এই টুলসটি প্রদান করে থাকে। এই  টুলস  এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের এসইও এর কাজ খুব সহজেই করা সম্ভব হয়ে থাকে ।  অনলাইনে আরো অনেক এনালাইটিক্স টুলস আছে, তবে সেই গুলোর রিসোর্স খুব সামান্য  ফ্রী-তে ব্যবহার করা যায়। এডভান্স লেভেলে ব্যবহার করতে হলে  টুলস টি কে কিনে নিতে হয়।  অ্যানালাইটিকসের অন্যান্য ফ্রী টুলস আছে , তদ্রুপ পেইড ভার্সন ও আছে । চমৎকার সব ফিচার নিয়ে এই পেইড ভার্সন এর টুলস গুলো আরো বিশ্লেষণ ভিত্তিক তথ্য দিতে সক্ষম।  কিন্তু গুগল এনালাইটিক্স ফ্রিতেই চমৎকার সব বিশ্লেষণধর্মী তথ্য উপস্থাপন করতে সক্ষম।

 

২।  ডেটা সংগ্রহঃ  গুগল এনালাইটিক্স অটোমেটিক ডেটা সংগ্রহ করতে সক্ষম । ওয়েবসাইট গুগল এনালাইটিক্স এ একবার সাবমিট করলেই অটোমেটিক্যালি তার তথ্যগুলো গুগোল সুন্দর ভাবে বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। তাই একবার সঠিকভাবে গুগল এনালাইটিক্স এ ওয়েবসাইটটি এনলিস্ট করলে বাকি কাজগুলো খুব সহজে  করা সম্ভব ।

 

৩।  রিপোর্ট দেখাঃ  গুগল এনালাইটিক্স ব্যবহার করে পছন্দমত রিপোর্টে দেখা যায়। গুগল এনালাইটিক্স ব্যবহার করে ওয়েব সাইটের পারফরম্যান্স নিজের পছন্দ মত দেখা যায়। গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে কিছু টেমপ্লেট  ব্যবহার করে রিপোর্ট অথবা কাস্টমাইজ রিপোর্ট তৈরি করা  যায়।

 গুগল এনালাইটিক্স ওয়েবসাইটের ডাটা গুলি যে ম্যাট্রিক্স গুলি দেখতে চাই তা খুব সহজেই দেখায়, পাশাপাশি প্রতিদিনকার হিসেব  চাইলে তাও দেখায়। আবার সাপ্তাহিক মাসিক এবং বাৎসরিক হিসেবগুলো একসাথে রিপোর্ট আকারে  দেখায়।

 

৪। গুগলের অন্যান্য  টুলস এর সাথে ইন্টিগ্রেট করাঃ  কোন ওয়েবসাইটের বিপরীতে গুগলের অন্যান্য  টুলস যেমনঃ অ্যাডসেন্স, গুগল সার্চ কনসোল  কিংবা এডওয়ার্ড  ব্যবহার করে থাকে তাহলে সেই টুলসগুলো  গুগল এনালাইটিক্স  টুলস গুলির সাথে ইন্টিগ্রেট করতে পারে। এর মাধ্যমে খুব সহজেই গুগলের অন্যান্য তথ্য গুগল এনালাইটিক্স এনালাইজ করতে পারে। এতে আরও জোরদার রিপোর্ট তৈরি করা  সম্ভব।

৫।  ভিজিটরদের চাহিদা সম্পর্কে যানাঃ  একজন ভিজিটর কোম্পানির ওয়েবসাইট ভিজিট করতে এসে কোন কোন মেনুতে পেজে ভিজিট করছে তার সম্পর্কে গুগল এনালাইটিক্স খুব সহজেই রিপোর্ট প্রদান করতে পারে এতে ভিজিটরের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানতে পারা যায়। ফলশ্রুতিতে ভিজিটরের পছন্দের বিষয় গুলি কিভাবে আরো উন্নত করা যায় তার সম্পর্কে পদক্ষেপ নিতে সহজ হয়।

 

এতে যদি পরিলক্ষিত হয় কোন ভিজিটর নির্দিষ্ট আর্টিকেল ভিজিট করছে তাহলে ওই আর্টিকেল টিকে আরো আপটুডেট করা যায়, এতে আর্টিকেলটিতে নতুন নতুন তথ্য যুক্ত করে সেটিকে আরো সমৃদ্ধিশালী করা সম্ভব।

 

৬। বাউন্স রেটঃ  কোন ভিজিটরকে কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যেরকম জরুরি তেমনি সাইটে দীর্ঘক্ষন অবস্থান করার জন্য আকর্ষণীয় আর্টিকেল ক্রিয়েট করার মাধ্যমে ধরে রাখাটা জরুরি এবং এই ধরে রাখার জন্য গুগল এনালাইটিক্স বাউন্স রেট (Bounce Rate) কাউন্ট করে থাকে। যে ভিজিটর যত দ্রুত কোন ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে, বের হয়ে আসে তত তার বাউন্স রেট বেড়ে  যায়। কোন ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট যত বেশি হবে ওই ওয়েবসাইটের মান ততো নিচে নেমে আসবে।

অতিমাত্রায় বাউন্স রেট কমানোর জন পদক্ষেপ নিতে হবে এর পরিমাণ যথাক্রমে রাস করতে পারলে খুব দ্রুত ওয়েবসাইটকে আবারও রাঙ্কিং এ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

 

৭। সোশ্যাল মিডিয়াঃ  ওয়েবসাইটের জন্য গুগল এনালাইটিক্স দুর্দান্ত একটি প্ল্যাটফর্ম। Google Analytic ব্যবহারের ফলে জানতে পারা যায়, কোন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর বেশি আসছে। ফলে সবচেয়ে ভালো সোশ্যাল মিডিয়াগুলি কে টার্গেট করা সম্ভব হয়। যেমন ফেসবুক পেজে কোন পোস্ট শেয়ার করলেও ওয়েবসাইটে প্রচুর ভিজিটর আসে, তাহলে ফেসবুকের পাশাপাশি অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আলাদা ভাবে চিন্তা করা।

 

Google Analytics সেটআপ

 

 

 

খুব সহজেই ওয়েবসাইটের জন্য গুগল এনালাইটিক্স সেটআপ করা যায় । এর জন্য সবার প্রথম গুগল এনালাইটিক্স ওয়েবসাইটে (https://analytics.google.com) যেতে হবে এবং কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর Start Measuring Button - এ  ক্লিক করতে হবে।

 

 

অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস এ অ্যাকাউন্টস তৈরি করার নাম দিতে হবে। একাউন্ট নেম বক্সে ওয়েবসাইটের নাম দিতে হবে।  কিছু অপশনাল অপশন হেট করার পর Submit বাটনে ক্লিক করার পর পরবর্তী অপশনে যেতে হবে।

 

Where Do you want to measure?  অপশন থেকে Web, Apps, Apps and Web    এর মধ্যে কোন প্ল্যাটফর্ম কি গুগল এনালাইটিক্স এর জন্য সেটাপ  করার প্রয়োজন সেটি সিলেক্ট করতে হবে।  যেহেতু আমরা ওয়েবসাইটটির জন্য গুগল এনালাইটিক্স সেটাপ করতে চাচ্ছি তাই আমরা ওয়েব অপশনটি ইউজ করবো।

 

Property Setup  করতে হবে ।  একটি প্রপার্টি মানি একটি ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট নেম অপশনে ওয়েবসাইটের নাম দিতে হবে। ওয়েবসাইট  ইন্ডাস্ট্রিতে কোন ধরনের বিজনেস সে অনুযায়ী দিতে হবে। ওয়েবসাইট শপিং, এন্টারটেনমেন্ট,  এডুকেশন,  ব্লগ ধরনের বেশকিছু ক্যাটাগরি। ওয়েবসাইট ব্লগের জন্য সিলেক্ট করি, লোকেশন  সিলেক্ট করে পরবর্তী অপশনে যেতে হবে।

 

 

পরবর্তী তে Verify Ownership অপশন এ নিয়ে আসা হবে। ওয়েবসাইটটি যে আপনার তা গুগলের কাছে প্রমাণ করতে হবে।  Google Analytics  একটি ট্রাকিং কোড জেনারেট করবে। এই ট্রাকিং কোড টি সম্পূর্ণ কপি করে ওয়েবসাইটের <head> </head> হেডারের ভিতরে যে কোন জায়গায় পেস্ট করে দেখতে হবে  কাজ করে কিনা। কোডটি কোন ভাবেই রিমুভ করা যাবে না, যদি  রিমুভ হয়ে যায় তাহলে সাথে সাথে ওনারশিপ বাতিল করে দিবে। Website একবার ওনারশিপ ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে গেলে খুব সহজেই এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

 

 ধন্যবাদ সবাইকে

 

মুহাম্মাদ সহিদুল ইসলাম

 ইন্সট্রাক্টর( কম্পিউটার)

 ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

Comments

Sign in to comment