PULSE CODE MODULATION

Pulse Code Modulation (PCM):যখন কোন অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমে স্থানান্তর করার 

প্রয়োজন হয় তখন ‍উক্ত সিগন্যালকে কতগুলো পালসে কোডিং করা হয় একে পালস কোড মডুলেশন বলে ।পালস কোড মডুলেশনে দুইটি অংশ বিদ্যমান থাকে । 

যেমন- ১.মডুলেশন ও ২.ডিমডুলেশন ।

Pulse Code Modulation (PCM) Block Diagram:

 

Source: কমিউনিকেশনের মৌলিক উপাদন হল তথ্য। যেটাকে একস্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরণ করা হয়। 

যেমন- সংখ্যা, ছবি, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদি ।

Low-pass Filter: শুধু মাত্র নিন্ম frequency band কে যেতে দিবে । এবং উচ্চ frequency band কে যেতে বাধা  দিবে ।

Sampler: একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর অ্যানালগ সিগন্যালের  ইনপুট ডাটা কে গ্রহণ করে ।

Quentizer: এটা হল ইনপুট সিগন্যালকে কন্টিনিয়াস মান থেকে ডিসক্রিট মানে   রুপান্তর করে ।

Encoder: Quentizer থেকে আগত  সিগন্যালকে বাইনারিতে রুপান্তর করে ।

Regenerative Repeater: এটা ডিজিটাল সিগন্যালকে amplified, reshaped করে ।

Regeneration circuit: এটা Amplifier এর মত কাজ করে । অর্থাৎ সিগন্যালকে শক্তিশালি করবে ।

Decoder:  ডিকোডার হচ্ছে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রুপান্তর করে ।

Destination: প্রেরণকৃত তথ্যকে গন্তব্যে পৌছানোর নিশ্চিত প্রদান করে  থাকে।

 

Pulse Code Modulation  এর সুবিধা সমুহ:

১. সিগন্যালটি নয়েজ দ্বারা আক্রান্ত কম হয় ।

২. সিগন্যালটির ইফিসিয়েন্সি বেশি থাকে।

৩. তথ্যের বিকৃতি কম হয় ।

৪.Multiplexing করা সহজ ।

 

Pulse Code Modulation  এর অসুবিধা সমুহ:

১.ব্যান্ডইউডথ বেশি প্রয়োজন হয় ।

২.ইনকোডার সার্কিট জটিল ।

৩.ডিকোডার সার্কিট জটিল ।

৪.কোয়ান্টাইজেশন সার্কিট জটিল ।

 

Pulse Code Modulation এর ব্যবহার :

১.স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনে ।

২.স্পেস কমিউনিকেশনে।

৩.টেলিফোনি  কমিউনিকেশনে।

৪.সাম্পতিক কম্পাক্ট ডিস্ক এ ব্যবহার করা হচ্ছে ।

 

 

আব্দুর রহমান

ইন্সট্রাকটর, টেলিকম বিভাগ

ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

 

Comments

Sign in to comment